আপনারা যদি ঠিকমত ব্যাবসা বানিজ্য করার সুযোগ দেন, তাহলে দেশে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে, শিক্ষিত- অর্ধশিক্ষিতদের চাকরি হবে৷
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে ফেনী চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনে নব-নির্বাচিতদের শপথ গ্রহণ ও অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন।
এ সময় আব্দুল আউয়াল মিন্টু আরও বলেন, আমরা যদি বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে না পারি, তাহলে সন্ত্রাস ও মাদকাসক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। দেশে ও সমাজে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। এতে দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধি ব্যাহত হবে। রাজনীতি অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হলে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য সবাইকে রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যবসায়ীদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য করার সুযোগ দিতে হবে। বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। মাদক ও কিশোরগ্যাং পুরো দেশের সমস্যায় রূপান্তরিত হয়েছে। আমরা যদি যুবকদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে পারি, তাহলে এ সমস্যা ক্রমান্বয়ে কমে যাবে বলে অভিমত ব্যাক্ত করেন পরিবেশ মন্ত্রী।
এ সময় তিনি নিজেকে ফেনীর সন্তান দাবী করে বলেন, আমি ফেনীতে জন্ম নিয়েছি। ফেনীতে লেখাপড়া করেছি এবং ফেনীতেই বড় হয়েছি। মহাসড়কের ফেনী লালপুল ক্রসিংয়ের সমস্যাটা সমাধানের জন্য চাপ দিয়েছি।
মুসাপুরে রেগুলেটরের সমস্যাটি একনেকে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। মেডিকেল কলেজ নির্মাণের বিষয়টি বারবার সংসদে বলা হচ্ছে। আশা করি ক্রমান্বয়ে এসব সমস্যার সমাধানে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, ফেনী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ পাঠান ও সহ-সভাপতি জাফর উদ্দিন অতিথি ছিলেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফেনী চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সদ্য বিদায়ী পরিচালক মুশফিকুর রহমান পিপুল ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পরিচালক জালাল উদ্দিন বাবলু।
আলোচনা সভার শুরুতে নব-নির্বাচিতদের শপথ বাক্য পাঠ করান ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক।
এর আগে ২৭ জুন ফেনী চেম্বার অব কমার্স নির্বাচনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে দিয়ে ২১ জন পরিচালক নির্বাচিত হন।