বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো, রাকিবুল আলম।
এর আগে মঙ্গলবার রাত ১২ টার দিকে সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের কামারজানি বন্দরে এ অভিযান চালানো হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি) নাজমুস শাহাদাত ফাহিমের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী সানোয়ার মুন্সী কামারজানি বন্দরের কীটনাশক ব্যবসায়ী ।
স্থানীয় ও কৃষি বিভাগ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সানোয়ার মুন্সির গুদামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বাইরে থেকে অবৈধভাবে সার আমদানি ও মজুত করা ১৫০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করার পর ওই ব্যবসায়ী ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জব্দ করা ১৫০ বস্তা সার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়েছে ।
এ অভিযানে কৃষি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ অভিযান চলাকালে স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী হেনস্থার শিকারও হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি সময় টিভির গাইবান্ধায় জেলা প্রতিনিধি বিপ্লব ইসলাম ও ক্যামেরাপার্সন সোহেল রানাকে ঘিরে ধরেছেন। এ সময় তাদের ধাক্কাধাক্কি এবং ফোন কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
সদর কৃষি কর্মকর্তা মো, রাকিবুল আলম বলেন নিয়মের বাইরে গিয়ে বাইরে থেকে অবৈধভাবে সার নিয়ে আসার অভিযোগে এই ব্যবসায়ীর পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার মজুদ করা ১৫০ বস্তা ইউরিয়া সাল জব্দ করে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুস শাহাদাত ফাহিম বলেন, অনুমোদনহীন ব্যবসায়ী হয়েও বিপুল পরিমাণ সার মজুদ ও বিক্রির দায়ে ওই ব্যবসায়ীকে জরিমানা এবং সারগুলো জব্দ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।