গ্রেফতারকৃত করা হচ্ছেন, সত্যসেন করছে সত্য দাস (২৩) নিপেন দাস ( ৬০) শংকর রাজ সেন ঠাকুর দাস (৩০) ও। শংকরী রানী (৫১)। নিপেন দাস আধা চন্দ্র দাসের বড় ভাই ।
র্যাব-১৩-এর গাইবান্ধা ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৩ গাইবান্ধা ও র্যাব-১২ বগুড়ার যৌথ দল শুক্রবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার নাটাইপাড়া এলাকায় আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সাদুল্লাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানায়,নিহত আদা চন্দ্র দাস সাদুল্লাপুর উপজেলা নলডাঙ্গা ইউনিয়নের বেহারাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। বসতঘিটার সীমানা নিয়ে আদা চন্দ্র দাসের সঙ্গে তার বড় ভাই নিপেন চন্দ্র দাসের দীর্ঘদিন ধরে বীরত্ব চলছিল। এর জেরে গত তিন জুলাই নিপেন বৃহৎ পূর্ণ জায়গায় টয়লেট ইউনিয়ন শুরু করলে দুই পরিবারের মধ্যে কলেজ সৃষ্টি হয়। পরদিন ৪ জুলাই দিকে নিপেন কে টয়লেট নির্মাণ করতে নিষেধ করেন এবং বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার প্রস্তাব দেয় আদা চন্দ্রের পরিবার।
ওইদিন দুপুরের দিকে বাড়ির সামনে ছাগল চরানোর সময় নিবেন তার দুই ছেলে শঙ্কর রাজ ও সত্য চন্দ্র সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আদারচন্দ্রকে ঘিরে ফেলেন পরে ধারালো কষ্ট দিয়ে থাকে এলোপাতাড়ি কোপানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের লোকজন গুরুতর অবস্থায় আদা চন্দ্রকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে চার জুলাই সাদুল্লাপুর থানায় একটি হত্যা মামলায় দায়ের করেন। এরপর গ্রেফতার এরাতে আসামির আত্মগোপন করেন।
র্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনা করে আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব 13 গাইবান্ধ ও র্যাব ১২ বগুড়া যৌথ অভিযান দল শুক্রবার 21 আগস্ট দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার নাটাই পাড়া এলাকায় আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাদুল্লাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।