প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই বছর বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি দাঁড়াতে পারে ২ হাজার ৯১১ ডলারে, যেখানে ভারতের ক্ষেত্রে তা হতে পারে ২ হাজার ৮১২ ডলার। দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়ের ধারাবাহিকতা এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধীরগতিকে এই পরিবর্তনের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ২০২৭ সাল থেকে আবার ভারত এগিয়ে যেতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে ২০৩১ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রবৃদ্ধি ধীরে ধীরে বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মাথাপিছু জিডিপিতে সাময়িক এগিয়ে থাকা মানেই সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় অগ্রগতি নয়। তাদের মতে, এটি মূলত বিনিময় হার, মূল্যস্ফীতি এবং হিসাব পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল, যা বাস্তব জীবনমানের সঙ্গে সরাসরি মিল নাও থাকতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের আরও মতে, জিডিপির হিসাব শুধু বাজারে কেনাবেচা হওয়া পণ্য ও সেবার ওপর নির্ভর করে, ফলে এটি অর্থনীতির পূর্ণ চিত্র তুলে ধরে না। তাই এমন পূর্বাভাসকে অতিরিক্ত গুরুত্ব না দিয়ে সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ পরিস্থিতির দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।