শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকারের নোটিসে এ তথ্য জানানো হয়েছে বলে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে।
নোটিসে বলা হয়েছে, কনস্যুলার কর্মকর্তারা ভিসা দেওয়ার শর্ত হিসেবে এসব দেশের নাগরিকদের জামানত হিসেবে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জমা দেওয়ার কথা বলতে পারবেন।
ভিসা বন্ডের পরীক্ষামূলক এ কর্মসূচি ২০২৫ সালের। এটি বাস্তবায়ন করা কতটা সম্ভব, সেটা মূল্যায়নে এ প্রকল্পের আওতায় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়কে একটা কাঠামো দেওয়া হয়েছিল।
সেই মূল্যায়নের পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন সরকার মনে করছে, বন্ডভিত্তিক ভিসাধারীদের নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে ভিসা বন্ড কর্মসূচি একটি কার্যকর উপায়।
পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে কনস্যুলার কর্মকর্তারা ৫ হাজার, ১০ হাজার বা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলারের বন্ড চাইতে পারতেন।
নতুন সিদ্ধান্তে ৫ হাজার ডলারের সুযোগ বাতিল করে সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে। নতুন নিয়ম ৩ অগাস্ট কার্যকর হবে।
এই কর্মসূচির আওতায় থাকা ৫০ দেশের তালিকায় ৩০টি দেশই আফ্রিকার।
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও ভুটান, কম্বোডিয়া, জর্জিয়া, কিরগিজস্তান, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তানের নাম রয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার ঘটনা কমাতে এ নীতি নেওয়া হয়েছে।
তবে অভিবাসন খাতের অধিকারকর্মীরা মনে করছেন, এ নিয়েমের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ‘বৈধ উদ্দেশ্যের’ ভ্রমণও কমে যাবে।