স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভবনটি পর্যটকদের জন্য ভাড়ায় দেওয়া আবাসন বা হলিডে রেন্টাল হিসেবে ব্যবহৃত হতো। শনিবার সকালে ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রথমে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে গ্রিসের দমকল বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, এক পুরুষের মরদেহও পাওয়া গেছে।
এএফপির প্রতিবেদনে স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে একজন মার্কিন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছেন। নিখোঁজ চারজনের মধ্যে দুজন মার্কিন পর্যটক, একজন গ্রিক ও একজন ব্রিটিশ নাগরিক রয়েছেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, এথেন্স বিমানবন্দরে নির্ধারিত ফ্লাইটে ওই পর্যটকদের উপস্থিত না থাকায় তাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
বিস্ফোরণের তীব্রতায় তিনতলা ভবনটি পুরোপুরি ধসে পড়ে। এতে আশপাশের কয়েকটি ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে ধ্বংসাবশেষ। ধ্বংসাবশেষের আঘাতে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। আশপাশের কয়েকটি ভবন থেকে লোকজনকেও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থলে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ সরাতে এক্সকাভেটর ও থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা ব্যবহার করছেন। জীবিত কেউ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা আছেন কি না, তা খুঁজে দেখতে অভিযান চলছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক ধারণা, গ্যাস লিক বা গ্যাস নিঃসরণের কারণে বিস্ফোরণটি ঘটতে পারে। তবে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
এথেন্সের মেয়র হারিস ডুকাস ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ বিপর্যয়’ বলে উল্লেখ করেছেন।
অ্যাক্রোপলিস ও টেম্পল অব অলিম্পিয়ান জিউসের মধ্যবর্তী একটি সড়কে বিস্ফোরণটি ঘটে। এলাকা দুটি এথেন্সের অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এথেন্সে সম্ভাব্য বিস্ফোরণের বিষয়ে তারা অবগত এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।