বন্যা পরিস্থিতির ঘোষণা ব্যাংককের ৫০টি জেলাতেই কার্যকর হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় সংস্থাগুলো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে কাজ করতে পারবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনের সময় বিতরণের জন্য ১০ লাখ বালুর বস্তা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্কুলে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। তবে নতুন করে বৃষ্টি না হলে জমে থাকা পানি পুরোপুরি নামতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় বাসিন্দাদের ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে ভারী বৃষ্টির কারণে ব্যাংককের বিস্তৃত খাল নেটওয়ার্কের পানি বেড়ে আশপাশের বাড়িঘর, রেস্তোরাঁ, দোকান ও সরু গলিতে ঢুকে পড়েছে। শনিবার নগরীর বেশ কয়েকটি প্রধান সড়কও পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও উরুসমান পানির মধ্য দিয়ে বাসিন্দাদের চলাচল করতে দেখা গেছে।
এ পরিস্থিতিতে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চানভিরাকুল লন্ডন সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে ২০১১ সালে থাইল্যান্ডজুড়ে ভয়াবহ বন্যায় ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। ওই বন্যায় দেশটির লাখ লাখ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।