হুমায়ুন কবির বলেন, তিনি সর্বশক্তিমানের কাছে প্রার্থনা করবেন, যেন মুখ্যমন্ত্রীর ‘টিকিট কেটে দেন’। তিনি বলেন, ‘আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করব, তিনি যেন যত দ্রুত সম্ভব পৃথিবী থেকে চলে যান। আল্লাহ যেন তার টিকিট কেটে দেন। এতে অহংকারের অবসান হবে।’
এ সময় কবির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও রাজীব গান্ধী, মহারাষ্ট্রের সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার এবং কংগ্রেস নেতা মাধবরাও সিন্ধিয়ার মৃত্যুর প্রসঙ্গও টানেন।
নওদার বিধায়ক কবির বলেন, শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর পদে না থেকে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যান- এটাই তিনি চান। তার অভিযোগ, ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি নেতা ‘অহংকারী’ হয়ে উঠেছেন এবং তার সরকারের আমলে সংখ্যালঘুরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ার মধ্যেই কবিরের এই মন্তব্য সামনে এল। আগামী ৬ অক্টোবর এ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
কবিরের মন্তব্যের নিন্দা করেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকলেও কারও মৃত্যু কামনা করা গ্রহণযোগ্য নয়। তার ভাষায়, বাংলার রাজনৈতিক সৌজন্য এমন নিচু জায়গায় নেমে এসেছে, তা ভাবতে পারেননি তিনি।
মুখোপাধ্যায় আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারী কারও দয়ায় মুখ্যমন্ত্রী হননি, তাকে মানুষই এই পদে বসিয়েছে। হুমায়ুন কবিরকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘কবিরের মনে রাখা উচিত, অভিশাপে গরু মরে না।’