এ বিষয়ে মণিরামপুর থানার পক্ষ থেকে অভিযোগ তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১নং রহিতা ইউনিয়নের পলাশী গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন মুন্সি ও তার স্ত্রী আম্বিয়া বেগম জানান, তাদের মেয়ে জুই খাতুনের বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছেদের সময় কাবিনের ৫০ হাজার টাকা এবং খোরপোষ বাবদ ১৫ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়। ওই টাকা থেকে মোট ৬৫ হাজার টাকা স্থানীয় ব্যক্তি মেহেদীর হেফাজতে রাখা হয়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত মেহেদী দুই দফায় ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ করলেও অবশিষ্ট ৩০ হাজার ৫০০ টাকা দীর্ঘদিন ধরে নানা অজুহাতে পরিশোধ না করে সময়ক্ষেপণ করছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে পাওনা টাকা চাইতে গেলে অভিযুক্ত মেহেদীসহ বুলবুল, রনি, আল-আমিন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জন তাদের বাড়ির সামনে এসে টাকা না দিয়ে উল্টো মারধর করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তাদের ১৩ বছর বয়সী মেয়ে জবা খাতুনকেও ধাক্কা দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, অভিযুক্তরা পাওনা টাকা অস্বীকার করে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের চেষ্টা করছে এবং তাদের বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদের হুমকিও দিয়ে আসছে। বর্তমানে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।