শুক্রবার (১ মে ২০২৬) সকাল ১১টায় শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের উদ্যোগে র্যালিটি শুরু হয়। ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর এই র্যালি উপজেলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে আবারও পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতি ও উৎসাহ প্রমাণ করে—শ্রমিক অধিকার এখন আর শুধু দাবি নয়, এটি একটি সামাজিক আন্দোলন।
র্যালি শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী শ্রমিকদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, শ্রমিক শ্রেণিই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তাদের ঘামেই গড়ে ওঠে উন্নয়নের ভিত। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান শ্রমিকবান্ধব রাষ্ট্রগঠনের যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তা আজও প্রাসঙ্গিক। সেই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ চলমান রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন অন্যতম। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বাস্তবমুখী বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কোনো ধরনের শোষণ বা বঞ্চনা সহ্য করা হবে না।
আলোচনা সভায় বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, উপজেলা বিএনপির নেতারা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের বক্তব্যেও উঠে আসে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতের দাবি এবং ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয়।
মে দিবসের এই আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের প্রতিজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই প্রতিভাত হয়েছে।