১ম পর্বে যা ছিলো— হাজার পাউন্ডে বিক্রি হচ্ছে আশ্রয়ের স্বপ্ন
যৌন পরিচয়ের ভিত্তিতে আশ্রয় আবেদন এখন সবচেয়ে আলোচিত ‘অপব্যবহারগুলোর’ একটি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, কিছু চক্র আবেদনকারীদের বলা হচ্ছে; নিজ দেশে সমকামী পরিচয়ের কারণে নির্যাতনের ভয় আছে, এমন দাবি তুলতে।
এরপর শুরু হয় ‘প্রমাণ’ তৈরির কাজ। আবেদনকারীকে নিয়ে যাওয়া হয় সমকামীদের ক্লাব, সামাজিক অনুষ্ঠান বা সমাবেশে। সেখানে ছবি তোলা হয়। সদস্যপত্র সংগ্রহ করা হয়। কখনো টাকার বিনিময়ে কাউকে প্রেমিক বা সঙ্গী হিসেবেও দাঁড় করানো হয়।
লন্ডনে বসবাসকারী এক পাকিস্তানি নাগরিক (ছদ্মনাম আলি) বলেন, তাকে বলা হয়েছিল, ‘তুমি সমকামী কি না সেটা কেউ যাচাই করতে পারবে না, গল্পটা ঠিকমতো বলতে হবে।’
তিনি জানান, কয়েক মাস তাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নেওয়া হয়। ছবি তোলা হয়। পরে সাক্ষাৎকারে কী বলতে হবে, তাও শেখানো হয়।
অধিকারকর্মীরা বলছেন, এ ধরনের প্রতারণা প্রকৃত সমকামী শরণার্থীদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে। কারণ তাদের সত্যিকারের ভয় ও নির্যাতনের গল্পও তখন সন্দেহের মুখে পড়ে।
এক মানবাধিকারকর্মী বলেন, ‘যারা সত্যিই জীবন বাঁচাতে পালিয়ে এসেছে, তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হচ্ছে।’