ইসমাইল বর্তমানে স্ত্রী সারাহ এবং ছোট মেয়েসহ পশ্চিম লন্ডনে বসবাস করছেন। বিচারকরা (মারকাস ওয়্যারিং, মনিকা গ্যালেটি ও ম্যাট টেবাট) তার রান্না করা হালিমের স্বাদ, সুগন্ধ এবং সিল্কি টেক্সচারের প্রশংসা করেছেন।
হালিম, গম, ডাল, বার্লি এবং নরম মাংস দিয়ে তৈরি একটি জনপ্রিয় দক্ষিণ এশীয় খাবার। বিশেষ করে রমজান মাসে পরিবারসহ ইফতারের সময় এটি পরিবেশিত হয়। বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের কোটি মানুষের কাছে হালিম কেবল খাবার নয়; এটি ধৈর্য্য, ঐক্য ও উৎসবের প্রতীক।
ইসমাইল যুক্তরাজ্যে আগমনের পর লন্ডনের বার্রিকা টাপাস বারে কিচেন পোর্টার হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। পরে তিনি লেভেল ২ অ্যাডভান্সড চেফিং এবং লেভেল ৩ ফুড সেফটি ও হাইজিন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি আর্কওয়েতে স্ট জনস ট্যাভার্নে হেড শেফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রান্নার অনুপ্রেরণা এসেছে তার মা থেকে। ইসমাইল বলেন, ‘ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে রান্না করতে করতে শিখেছি, খাবার মানুষকে একত্রিত করে।’
যুক্তরাজ্যে প্রাক্তন হেড শেফ জেমস নাইটের সঙ্গে কাজ তাকে পেশাদার রান্নার নতুন সম্ভাবনা দেখিয়েছে। তার রান্না শৈলী ধীর, সরল এবং উপকেন্দ্রিক।
মাস্টারশেফের ১৮তম সিরিজে ইসমাইল ৩২ জন প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাত সপ্তাহের চ্যালেঞ্জ শেষে বিচারকরা সেরা শেফ নির্বাচন করবেন। ইসমাইল বলেন, ‘রান্না আমার পেশা নয়, এটি আমার আবেগ এবং লক্ষ্য। আমি প্রমাণ করতে চাই যে আমার দক্ষতা শীর্ষ পর্যায়ে।’
রান্নাঘরের বাইরে ইসমাইল স্ত্রী ও কন্যার সঙ্গে সময় কাটান বা নতুন স্বাদের রান্না আবিষ্কার করতে ভ্রমণ করেন। প্রতিযোগিতায় তার লক্ষ্য শুধু সেমিফাইনালে পৌঁছানো নয়, দেশের রান্নার ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা।