তিনি বলেন, যেকোনো চাপ সত্ত্বেও ইরান ইস্যুতে ব্রিটেনকে যুদ্ধে জড়ানো যাবে না। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা এবং সম্পূর্ণ সচল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। স্টারমারের মতে, বিশ্ব অর্থনীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে এই নৌপথ সচল রাখা জরুরি, এবং এ লক্ষ্যেই যুক্তরাজ্য কাজ চালিয়ে যাবে।
তবে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হরমুজ অঞ্চলে তাদের মাইন অপসারণকারী জাহাজ ও ড্রোন প্রতিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এক মুখপাত্র জানান, যুক্তরাজ্য নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় পুরোপুরি সচল রাখতে কাজ করছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা আগামী সোমবার থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ শুরু করবে। তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অন্যান্য দেশের জাহাজ চলাচলে কোনো বাধা সৃষ্টি করা হবে না বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটন।
অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, কোনো ধরনের হুমকির মুখে ইরান নতি স্বীকার করবে না।
এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি ঘিরে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।