শিক্ষার্থীদের কাঁঠাল উৎসব আয়োজনের প্রশংসা করেছেন এবং ফলমূলের পুষ্টিগুণ গুণ সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আতিকুল হক সমীর বলেন, অঙ্কুর বিদ্যানিকেতনের আয়োজনে জাতীয় ফল কাঁঠাল উৎসব ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ফলমূল আমাদের শরীরের ভিটামিনের অভাব পূরণ করে। ফল উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফলমূলের গুরুত্ব সম্পর্কে জানার আগ্রহ বাড়বে। বর্তমানে গ্রামাঞ্চলের মানুষজন কাঁঠাল তেমন একটা খেতে চায় না।
কাঁঠাল একটি পুষ্টি সমৃদ্ধ ফল। এরকম ব্যতিক্রমে আয়োজনের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাঁঠাল খাওয়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে বলে আমি মনে করি।
স্থানীয় বড়চওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আজহারুল ইসলাম বলেন, কুতুবপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যানিকেতনের আয়োজনে জাতীয় ফল কাঁঠাল উৎসবটি আমাদের এলাকার মানুষের এবং শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজন মানুষের সুস্থ থাকতে হলে পুষ্টিযুক্ত ফলমূল খেতে হয়। ফল উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ফলের গুনাগুন সম্পর্কে জানতে পারবে। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের ফলমূল খাওয়ার আগ্রহ বাড়বে। ছোটবেলায় দেখতাম আমাদের মুরুব্বিরা কাঁচা কাঁঠাল তরকারি হিসেবে রান্না করতো। স্কুল কর্তৃপক্ষের এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন প্রশংসনীয়।
অঙ্কুর বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক মো: তোফায়েল আহমেদ বলেন, কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল কিন্তু এই সময়ে শিক্ষার্থীরা বাজারের ফরমালিনযুক্ত ফলমূল খেতে চায় না। বাজারের ফলমূলের দোকানগুলোতে বিক্রির জন্য ফলমূলগুলো দীর্ঘদিন সংরক্ষিত থাকে এর ফলে অনেক ফলের গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায় এবং ফলের স্বাদ থাকে না। কাঁঠাল অত্যন্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ একটি ফল। মূলত শিক্ষার্থীদের ও তরুণ প্রজন্মকে কাঁঠালের উপকারিতা এবং কাঁঠাল খাওয়ার প্রতি উৎসাহিত করার জন্যই আমাদের এই ভিন্নধর্মী আয়োজন। আগামী দিনেও আমাদের
এরকম আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
অঙ্কুর বিদ্যানিকেতনের জাতীয় ফল কাঁঠাল উৎসবে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল, অঙ্কুর নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতি সাইদুর রহমান সহ শিক্ষকবৃন্দ , অভিভাবকবৃন্দ এবং স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।