রোববার (২৮ জুন) দুপুর ১২টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের বগুড়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, অভিযানের সময় রেস্তোরাঁটির রান্নাঘর ও স্টোররুমে একাধিক স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়। কাঁচা মাছ ও মাংসের সঙ্গে টক দই এবং বিভিন্ন মসলাজাতীয় খাদ্য একই ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। এছাড়া নষ্ট ও ছত্রাক (ফাঙ্গাস) আক্রান্ত বাসমতি চাল দিয়ে কাচ্চি প্রস্তুতের অভিযোগও পাওয়া যায়।
অভিযান চলাকালে রান্নাঘর ও স্টোররুমে ইঁদুর ও টিকটিকির অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা হয়। খাদ্য সংরক্ষণ ও পরিবেশনের বিভিন্ন সরঞ্জামে ইঁদুরের মলমূত্রও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
এসব অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী কাচ্চি ডাইনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক ফজিলাতুন্নেছা ফৌজিয়া উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া র্যাব-১২ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি রেস্তোরাঁ মালিকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।