গ্রেফতারকৃত আব্দুল জলিল উপজেলার উত্তর হরিপুর মধ্যপাড়া গ্রামের ছামসুল হকের ছেলে। তিনি হরিপুর ইউনিয়নের বর্তমান ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য। নিহত কফিল উদ্দিন (৬৫) একই গ্রামের তার আপন চাচা।
এর আগে রোববার (২৮ জুন) রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পূর্ব মৌচাক কাচাবাজার এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব -১৩, গাইবান্ধার ক্যাম্পের পক্ষ থেকে বলা হয়, নিহত কফিল উদ্দিন পৈত্রিক ৬৬ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শরীরদারদের সাথে বিরোধ চলে আসছিলো। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে। কিন্তু তাতে কোনো নিষ্পত্তি হয়নি। পরে কফিল উদ্দিন স্থানীয় কৃষক আতাউর রহমানের কাছে ওই জমি বর্গা দেন। গত ২৮ এপ্রিল আতাউর রহমান বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে ধান কাটতে গেলে অভিযুক্তরা বাধা দেয়। কারণ জানতে চাইলে তাকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে মারধর করা হয়। এ খবর পেয়ে কফিল উদ্দিন আতাউর রহমানকে উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে অভিযুক্তরা তাকে এলোপাথাড়ি মারপিট করে। স্বামীকে রক্ষা করতে গেলে কফিল উদ্দিনের স্ত্রী জুলেখা বেগমকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা কফিন উদ্দিনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী জুলেখা বেগম বাদী হয়ে ১ মে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামীরা আত্মগোপনে চলে যায়। মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে র্যাব-১৩, গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেন। এর একপর্যায়ে গাইবান্ধা র্যাব- ১৩ এবং গাজীপুর ব্যাব -১, ক্যাম্পের অভিযানীর দল যৌথ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি আব্দুল জলিলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা র্যার-১৩ ক্যাম্পের সিনিয়র সহকারী পরিচালকের (মিডিয়া) পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।