প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সম্ভাব্য আয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ২৩ লাখ ৫৩ হাজার ৪০০ টাকা।
এ সময় জানানো হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সম্ভাব্য আয় ধরা হয়েছিল ৩ কোটি ৬ লাখ ৮ হাজার ৬০০ টাকা। তবে প্রকৃত আয় হয়েছে ২ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৬ টাকা। একই অর্থবছরে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ কোটি ৬৭ লাখ ৭০ হাজার ৪০০ টাকা, কিন্তু প্রকৃত ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ১ লাখ ১৯ হাজার ৭৫৭ টাকা।
বাজেট উপস্থাপনের পর উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে আইনজীবীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেন সাধারণ সম্পাদক আল মাসুদ চৌধুরী।
জেলা আইনজীবী সমিতির উপদেষ্টা অ্যাড. মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম বলেন,"আইনজীবীরা বিচার বিভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটি শক্তিশালী, জবাবদিহিমূলক ও কল্যাণমুখী আইনজীবী সমিতি গড়ে তুলতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রস্তাবিত এই বাজেট সমিতির উন্নয়ন ও সদস্যদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।"
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আল মাসুদ চৌধুরী বলেন,"এই বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে সমিতির আর্থিক সক্ষমতা, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং সদস্যদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আইনজীবীদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে একটি বাস্তবসম্মত ও অংশগ্রহণমূলক বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।"
বাজেট অধিবেশন শেষে নবীন আইনজীবী এবং হাইকোর্ট বিভাগে আইন পেশা পরিচালনার অনুমতি প্রাপ্ত আইনজীবীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এছাড়াও আইনজীবী সমিতির নতুন ওয়েব সাইটের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জজ কোর্টের জিপি আবু মো. সোয়েম, জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসনেন ইমাম সোহেল, লাইব্রেরি সম্পাদক আনিছুর রহমান আজাদ, ধর্ম ও সংস্কৃতি সম্পাদক হুজুর আলীসহ সমিতির অন্যান্য আইনজীবীরা।