এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুটি মামলা হয়েছে। দুই মামলায় মোট ১৪৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় ৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সর্বশেষ মামলায় কশবামাজাইল ইউনিয়নের দড়িবাংলাট গ্রামের বাসিন্দা মো. হাকিম বাদী হয়েছেন। তিনি পাট্টা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আকিদুল বিশ্বাসকে প্রধান আসামি করে ৯৮ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও প্রায় ৩০০ জনকে আসামি করেছেন।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ইতো মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এর আগে একই সংঘর্ষে আহত হয়ে নিহত জামিন বিশ্বাসের মৃত্যুর ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। নিহতের ছেলে রিপন বিশ্বাস ওই মামলার করেন । আওয়ামী লীগ নেতা আকমল হোসেন টিক্কাকে প্রধান আসামি করে ৪৯ জনের নাম উল্লেখ্য করে অজ্ঞাত আরও প্রায় ৩০০ জনকে আসামি করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার সকালে পাংশা উপজেলার কশবামাজাইল ইউনিয়নের দড়িবাংলাট এবং পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত জামিন বিশ্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।