প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় শোরুমে একটি গাড়ির সার্ভিসিং চলছিল। এ সময় হঠাৎ আগুনের স্ফুলিঙ্গ দেখা দিলে তা দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে বগুড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে শোরুমে থাকা মোট পাঁচটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুটি গাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। বাকি তিনটি গাড়ি আগুনের তাপ ও ধোঁয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেগুলোর রং নষ্ট হয়ে গেছে।
প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী রাকিবুল ইসলাম রাকিব দাবি করেন, আগুনে তাদের কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু গাড়িই নয়, শোরুমের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও মূল্যবান সরঞ্জামও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বগুড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর পুলক কুমার গোস্বামী জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গাড়ি সার্ভিসিংয়ের সময় আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে কী কারণে আগুন লেগেছে, তা তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তদন্ত শেষে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় কিছু সময়ের জন্য আতঙ্কের সৃষ্টি হলেও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে আগুন পাশের স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়ার আগেই নিয়ন্ত্রণে আসে। ফলে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।