শনিবার (১৬ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নালিতাবাড়ী উপজেলার হাতিপাগার বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন নাকুগাঁও আইসিপি এলাকায় এমপি-১১১৬ পিলারের কাছে এই হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
ভারতের ২২ বিএসএফ কিলাপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা ৩৯ বিজিবির হাতিপাগার ক্যাম্পের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের হস্তান্তর করে।
হস্তান্তর করা ১০ জনই রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন—চর বায়েরমারী গ্রামের মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. সুভান আলী (২৩), পানিহার গ্রামের মো. আনারুল ইসলামের ছেলে মো. আব্দুল মারুফ রহমান (২১), আমতোলা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. আজিজুল ইসলাম (২১), সাগনগুঁটি গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে মো. আব্দুল আলিম (২৬), মোলাইন গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে মো. আলামিন (২৩)।
এছাড়াও রয়েছেন বিশ্বনাথপুর গ্রামের শ্রী মুরারির ছেলে শ্রী মদু মুরারি (৩৪), মানিকচর গ্রামের আব্দুল কালামের ছেলে মো. অনিকুল ইসলাম (২৫), দীঘা মিয়াপাড়া গ্রামের মো. সেতাজের ছেলে মো. তাজেল (২৫), একই এলাকার মো. ইসমাইলের ছেলে মো. মেসবাউল (২১), দিয়ার মানিকচক গ্রামের মো. তোফাজ্জুল হোসেনের ছেলে মো. আব্দুল হাকিম (৪৯)।
বিজিবি হাতিপাগার ক্যাম্প কমান্ডার মো. ফুল মিয়া জানান, হস্তান্তরকৃত সবাই রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বাসিন্দা এবং তারা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন তারা। পরে মেঘালয় পুলিশ তাদের আটক করে এবং বিএসএফের মাধ্যমে পতাকা বৈঠকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আমরা তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে নালিতাবাড়ী থানায় মামলা দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান বলেন, আজ সকালে বিএসএফ ১০ বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। পরে বিজিবি আমাদের হাতে তুলে দেয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, প্রায় এক বছর আগে তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। দুই দিন আগে মেঘালয়ে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার সময় সেখানকার পুলিশ তাদের আটক করে। পরে বিএসএফের মাধ্যমে আজ তাদের ফেরত পাঠানো হয়।
তিনি আরও জানান, তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে পাসপোর্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।