পাশাপাশি আইবাস প্লাস প্লাসের মাধ্যমে অনলাইনে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রজ্ঞাপন জারির পর এসব কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
প্রজ্ঞাপনের খসড়া ইতোমধ্যে আইনগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ভেটিং শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এতে বিভিন্ন শ্রেণি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক সাতটি এসআরও থাকবে।
এসব এসআরওর মাধ্যমে বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সশস্ত্র বাহিনী এবং বিচার বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও সংশ্লিষ্ট বিধান আলাদাভাবে কার্যকর করা হবে।
এ ছাড়া সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন আইবাস প্লাস প্লাসের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। এ ব্যবস্থায় প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনলাইনে আইবাস প্লাস প্লাসে প্রবেশ করে চাকরি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে।
অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রজ্ঞাপন জারির পরই বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন কাঠামো প্রয়োগে যেসব কারিগরি ও প্রশাসনিক পার্থক্য রয়েছে, সেগুলো বিবেচনায় নিয়ে পৃথক এসআরও প্রস্তুত করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাতটি পৃথক এসআরওর মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণির চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো প্রয়োগের বিষয়গুলো নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি আইবাস প্লাস প্লাসে তথ্য হালনাগাদ এবং বেতন নির্ধারণের কারিগরি প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।’
গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নবম পে স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং প্রথম গ্রেডে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, নতুন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করতে যে সাতটি পৃথক এসআরও জারি করা হবে, তার মধ্যে রয়েছে—সিভিল বা বেসামরিক প্রশাসনের সাধারণ বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পৃথক বিধান; পুলিশ সদস্যদের বেতন, ভাতা ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক সুবিধা; বিজিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পৃথক বিধান; এবং সরকারি ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য বেতন কাঠামো।