শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, সার থাকার কথা অনুমোদিত ডিলারদের কাছে। কিন্তু বাস্তবে ডিলার নন—এমন ব্যক্তিদের কাছেও সার পাওয়া যাচ্ছে। অসাধু এই চক্রের কারণে কৃষক, সমাজ ও দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি জানান, অসাধু চক্রের কার্যক্রম নজরদারিতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একাধিক টিম গঠন করা হয়েছে। খুব দ্রুত এসব চক্রের তৎপরতা ব্যর্থ করা হবে।
আগামী বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফুলগাজী সফরকে সামনে রেখে প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে সেখানে যান কৃষিমন্ত্রী।
এ সময় তিনি আরও জানান, সারা দেশের দুই কোটি কৃষককে পর্যায়ক্রমে কৃষি কার্ডের আওতায় আনা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কৃষকের হাতে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, ভূমিহীন, মাঝারি ও বড়—সব শ্রেণির কৃষকই এ সুবিধার আওতায় আসবেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। কৃষকের অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাউছার হামিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহেলী নোশীন প্রত্যাশাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।