রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তন প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। জেলা ও শহর শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা। তিনি বলেন, “প্রায় ১৪০০ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। সেই শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা আমাদের দায়িত্ব।”
তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার শহীদদের সেই ত্যাগের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ আচরণ করছে না। তাঁর ভাষ্য, সরকার ‘জুলাই সনদ’ নিজেদের মতো করে ব্যবহার করছে, যা শহীদদের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।
সিবগাতুল্লাহ সিবগা বলেন, গণভোট এবং গুম ও কমিশন সংস্কারসংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যোগ শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এ দাবি পূরণ না হলে ছাত্রসমাজকে রাজপথে নামতে হবে।
তবে তিনি সরকারের যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগকে স্বাগত জানানোর কথাও উল্লেখ করেন। পাশাপাশি দেশ ও জাতির স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
সমাবেশে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ইস্যুকে সামনে রেখে এই কর্মসূচি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচির ইঙ্গিত বহন করে। বগুড়ার এ বিক্ষোভকে বৃহত্তর রাজনৈতিক অবস্থানের প্রকাশ হিসেবেও দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।