বুধবার (১ এপ্রিল) ভোরে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশুটি। হাসপাতাল সূত্র জানায়, বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বাসিন্দা ওই শিশু মঙ্গলবার শরীরে র্যাশসহ হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়। অবস্থার অবনতি হলে ভোরেই তার মৃত্যু ঘটে।
হাসপাতালের মুখপাত্র ও উপ-পরিচালক ডা. মো. মনজুর-এ-মুর্শেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হামের উপসর্গ থাকায় শিশুটিকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল। বর্তমানে একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০টি শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তবে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ১৮টি শিশুর নমুনা পরীক্ষা করা হলেও কারও শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়নি। অর্থাৎ উপসর্গ থাকলেও পরীক্ষায় রোগটি নিশ্চিত হয়নি।
এ ঘটনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—মৃত শিশুটির নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকদের চেষ্টার পরও অভিভাবকদের অনীহার কারণে নমুনা নেওয়া যায়নি, যা সুনির্দিষ্ট রোগ নির্ণয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখছেন চিকিৎসকরা।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম-এর মতো সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে দ্রুত শনাক্তকরণ ও পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি। উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষায় সহযোগিতা না করলে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই মৃত্যু শুধু একটি সংখ্যা নয়—বরং সতর্কবার্তা। সচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো পরীক্ষা এবং যথাযথ চিকিৎসাই পারে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর হার কমাতে।