ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক আমির বারাম এবং গ্রিসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ইওয়ানিস বোরাস চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বৃহত্তর সামরিক আধুনিকায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে এ চুক্তি হয়েছে।
২০৩৬ সালের মধ্যে নিজেদের সামরিক বাহিনীর সামগ্রিক আধুনিকায়নে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ইউরো ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছে গ্রিস। এ পরিকল্পনার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুদ্ধবিমান এবং ফ্রান্স ও ইতালি থেকে রণতরী কেনার বিষয়টিও রয়েছে।
বর্তমানে গ্রিস যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র, রাশিয়ার তৈরি এস-৩০০ এবং অন্যান্য স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করছে।
নতুন চুক্তির আওতায় গ্রিসের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েল নিজস্ব প্রযুক্তিতে গ্রিসের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ও বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা খাত যুদ্ধের সময় অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবে। ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের অভিজ্ঞতার দিকেই এ বক্তব্যে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইসরায়েল-গ্রিসের এ চুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে ‘অ্যাকিলিস শিল্ড’। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তির আওতায় গ্রিসে ইসরায়েলের রাফায়েল কোম্পানির তৈরি ডেভিডস স্লিং ও স্পাইডার এবং ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের তৈরি বারাক এমএক্স প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রপ্তানি করা হবে।