ইরানের বিভিন্ন বার্তা সংস্থায় প্রকাশিত বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, আগ্রাসনকারীদের শাস্তি হিসেবে এই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে কিং হুসেইন ও আল আজরাক ঘাঁটিতে।
আইআরজিসি দাবি করে, এই হামলায় ঘাঁটিগুলোর প্রযুক্তিগত ও পুনর্গঠনমূলক সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে। হামলায় শত্রুপক্ষের বিমান উড্ডয়ন স্থাপনাও ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করেছে তারা।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এত আগ্রাস ও অপরাধের পরও আইআরজিসিকে দমিয়ে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিতে শত্রুর চেষ্টা থামবে না এবং প্রতিটা হামলারই তার চেয়েও ভয়ংকর জবাব দেওয়া হবে।
এর আগে, রোববার (৩০ আগস্ট) ইরানের লারাক দ্বীপে আইআরজিসির দুটি রকেট লাঞ্চারে আমেরিকা বোমা হামলা চালায়। ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করে ওই হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় আইআরজিসি।