তিব্বতের হিমবাহ ভেঙে প্রায় সাড়ে তিন লাখ কিউসেক পানি, কাদা ও পাথরসমেত ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী নাদী হয়ে রীতিমতো তাণ্ডব চালায় নেপাল ও চীনের তিব্বত। নেপালি সরকারের হিসেবে দেশটিতে সাড়ে সাতশর বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় তিন হাজার নিখোঁজ। নেপালের হড়পা বানের পানি ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী হয়ে নারায়ণী/গণ্ডক নদীতে মেশে। এরপর বিহারের ভাল্লুকিনগর হয়ে সেই পানি গণ্ডক নদী বেয়ে পাটনার কাছে সোনপুরে সোজাসুজি গঙ্গায় প্রবেশ করে।
পাহাড় থেকে একসঙ্গে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সাড়ে তিন লাখ কিউসেক পানি গঙ্গায় আসায় পানির স্তর অনেকটাই বেড়ে যায়। রোববার দেখা যায় ফারাক্কা বাঁধের প্রায় ১০৯টি গেটের প্রায় সবগুলো খুলে রাখা হয়েছে। এতে আপ স্ট্রিম ডাউন স্ট্রিমের উচ্চতা প্রায় সমান হয়ে যাওয়ায় বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে ফারাক্কার ডাউন স্ট্রিম ও মালদার বিস্তীর্ণ এলাকায়। বেশ কিছু এলাকায় ভাঙনও দেখা দিয়েছে।
যদিও ফারাক্কা বাঁধের জেনারেল ম্যানেজার আর ডি দেশপান্ডে বলেন, ভোতেকোশির প্রভাব গণ্ডক নদীতে সেভাবে পড়েনি, ফলে গঙ্গায় বা ফারাক্কায় তার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে ফারাক্কায় ১২ লাখ কিউসেক পানি আছে। গত বছর এই সময় সেখানে পানি ছিল ১৬ লাখ কিউসেক। বাধের ধারণ ক্ষমতা ২৭ লাখ কিউসেক। রুটিন অনুযায়ী গেট খোলা আছে তবে বন্যার সম্ভাবনা নেই।