দিয়ামনি স্থানীয় কৃষক দুলাল মিয়ার ছোট মেয়ে। সে চন্দ্রকোনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুলাল মিয়ার তিন মেয়ের মধ্যে দিয়ামনি সবার ছোট। সোমবার প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চার বিষয়ে অকৃতকার্য হলে সে চরম মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
ওই দিন রাতে সে তার বড় বোন শম্পার সাথে নিজ ঘরের শয়নকক্ষে ঘুমাতে যায়। গভীর রাতে বড় বোন ঘুমিয়ে পড়লে দিয়ামনি শয়নকক্ষ থেকে বের হয়ে বারান্দার ঘরের কাঠের আড়ার (রোয়া) সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসে ঝুলে পড়ে।
রাত ৪টার পর বড় বোন শম্পার ঘুম ভাঙলে বিছানায় দিয়ামনিকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে বারান্দার কক্ষে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে সে পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়টি জানায়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে চন্দ্রকোনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে।
এ ব্যাপারে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জানান, ধারণা করা হচ্ছে সোমবার দিবাগত রাত ২টা থেকে ভোর ৪টার মধ্যে কোনো একসময় দিয়ামনি আত্মহত্যা করেছে।
ঘটনায় নকলা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে পরিবারের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।