শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বাবুবাজার ব্রিজের নিচে ভাসমান হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। এ সময় নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসানও উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, উপকূল, দ্বীপ ও চরাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেই স্বাস্থ্য ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
‘স্বাস্থ্য তরী’র মাধ্যমে দক্ষিণবঙ্গের অন্তত চার থেকে পাঁচটি জেলার ৩০ থেকে ৪০টি দুর্গম উপজেলায় জটিল ও সাধারণ রোগের আধুনিক চিকিৎসা এবং সার্জারির ব্যবস্থা করা হবে।
ভাসমান এই হাসপাতালে নারীদের স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ প্রসব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, শিশুস্বাস্থ্য, সাধারণ অর্থোপেডিক সার্জারি এবং চোখের ছানি অপারেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত দল এসব সেবা দেবে।
নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, বরিশাল, নোয়াখালী, ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার দুর্গম চরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে বিকল্প উপায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
সরকারের দুই মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধার সমন্বয়ে নৌ-ভিত্তিক এই স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।