এই ভাতার আওতায় সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ২৬০ পাউন্ড পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যেতে পারে। সাধারণত যেসব পরিবারে স্বামী বা স্ত্রীর একজনের বার্ষিক আয় ১২ হাজার ৫০০ পাউন্ডের নিচে এবং অন্যজনের আয় ১২ হাজার ৫৭১ থেকে ৫০ হাজার ২৭০ পাউন্ডের মধ্যে, তারা এই সুবিধার জন্য যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এটি কোনো সামাজিক সহায়তা ভাতা নয়; বরং কর ব্যবস্থার একটি অংশ। ফলে আবেদনকারীর ব্রিটিশ নাগরিক হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে বসবাসকারী যে কেউ নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই সুবিধা নিতে পারেন।
বাংলাদেশ থেকে কর্মসংস্থান বা সেবাখাতে ভিসা নিয়ে যাওয়া অনেক অভিবাসীও এই ভাতার আওতায় আসতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আয়ের শর্ত পূরণ এবং দাম্পত্য জীবনের ন্যূনতম সময়কাল অন্তত এক বছর হওয়া প্রয়োজন।
যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন কিন্তু আগে আবেদন করেননি, তাঁরা চাইলে আগের চার বছর পর্যন্ত কর সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবেদন করতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেকেই এই সুবিধা সম্পর্কে অবগত না থাকায় প্রাপ্য কর ছাড় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সঠিক তথ্য জেনে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।