এই সতর্কতার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জনসমাগমস্থলগুলোতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মার্কিন দূতাবাস তাদের নাগরিকদের উদ্দেশে জানায়, স্কুল, উপাসনালয়, পর্যটন কেন্দ্র ও গণপরিবহনে চলাচলের সময় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, গত দুই বছরে যুক্তরাজ্যে প্রায় ৮৬টি ছোট-বড় হামলার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি লন্ডনের গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায় দুই ইহুদি ব্যক্তির ওপর ছুরিকাঘাত এবং সর্বশেষ গোলাগুলির ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে মসজিদ ও সিনাগগসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার প্রভাব যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় পড়ছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো হুমকির মাত্রাকে বর্তমানে ‘উদ্বেগজনক’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
এদিকে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে ক্ষমতাসীন লেবার সরকারের ওপরও।
কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের চলাফেরায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে জনসমাগমস্থলে সতর্কতা বাড়ানো, সন্দেহজনক কিছু দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধর্মীয় পোশাক পরিধানকারীদেরও বাড়তি সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।