ভাইরাল হওয়া প্রায় এক মিনিটের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ঘরের বারান্দায় খাটের ওপর বসে জহুরুল ইসলামকে ইয়াবা সেবন করতে। তার সঙ্গে আরও একজন ব্যক্তি থাকলেও ভিডিওতে ওই ব্যক্তির পরিচয় স্পষ্ট নয়। ধারণা করা হচ্ছে, জহুরুলের অজান্তেই তার সঙ্গে থাকা কেউ ভিডিওটি ধারণ করেন। তবে ভিডিওতে জহুরুল ইসলামকে স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা যাচ্ছে।
জহুরুল ইসলাম উপজেলার ভুতবাড়ি গ্রামের সামছুল হকের ছেলে। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ প্রচলিত ছিল। তবে প্রভাবশালী হওয়ায় অনেকেই প্রকাশ্যে এসব বিষয়ে কথা বলতে সাহস পাননি। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে জহুরুল ইসলাম বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। এতে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি নেতাকর্মীদেরও বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর জহুরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে ধুনট উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মধু বলেন, "যুবদলে কোনো মাদকসেবী কিংবা সন্ত্রাসীর স্থান নেই। ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। এরই মধ্যে ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"