শনিবার ( ২৭ জুন) সকালের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন, উপজেলার তালুক- কানুনপুর ইউনিয়নে সুন্দইল এলাকার আবু সাঈদ মিলনের স্ত্রী রমিম আক্তার রিপা(২৫) কামারদহ ইউনিয়নের বকশির চর এলাকার মৃত্যু নঈবরের ছেলে মোস্তফা (৪২) ও গুমানিগঞ্জ ইউনিয়নের বালুভরা এলাকার ঋতু রমজান আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩৫) ।
এর আগে শুক্রবার ( ২৬ জুন) উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের সিংজানি (কালিতলা) এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দরবস্তু ইউনিয়নের কালিতলা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় শামীম ( ৩৫) নামের এক যুবককে হানি ট্র্যাপে ফেলে টাকার জন্য আটকে রেখে নির্যাতন করেন অভিযুক্তরা। এ সময় ফাঁদে পড়া যুবকের চিৎকারে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পায় এবং তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। পরে ভুক্তভোগী ওই যুবকের মুখে সব কিছু শুনে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনারস্থানে এসে চক্রের তিন সদস্যকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। পরে ওই যুবক বাদী করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন এবং শুক্রবার( ২৬ জুন) বিকেলের দিকে আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। মামলায় বলা হয়, হানিট্রাপ চক্রের সদস্য রিপা আক্তার অত্যন্ত কৌশলে মোবাইল ফোনে ভুক্তভোগী যুবককে বাড়িতে ডাকেন। পরে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করা হয়। এতে আপত্তি জানালে চক্রের অপর দুই সদস্য শহিদুল ও মোস্তফা ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে তার কাছে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকার করায় মোবাইলে ধারণকৃত ভিডিও ফেসবুক ও ইন্টারনেটের ছাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। তাতে ভুক্তভোগী যুবক টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তার উপর নির্যাতন শুরু করা হয় ।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, ভাড়া বাসায় হানিট্রাপে ফেলে এক যুবককে মারধার ও টাকা দাবির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয় । আটক ওই চক্রের ৩ সদস্যকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।