শনিবার দুপুরে নগরীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা বলেন, জমির মালিককে সাইনিং মানি, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্তি এবং পরবর্তীতে বিক্রির প্রতিটি ধাপে ১৫শতাংশ ট্যাক্স দিতে হবে। এর ফলে জমির মালিকরা ডেভেলপারদের জমি দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। নতুন শুল্ক ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে প্রতি টন রড উৎপাদনে খরচ প্রায় ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আবাসন উদ্যোক্তাদের নির্মাণ ব্যয় প্রতি বর্গফুটে প্রায় দেড় হাজার টাকা থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে।
এছাড়া, বর্তমানে ব্যাংক ঋণের সুদের হার ১৪ থেকে ১৬শতাংশ, যা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল। আবাসনখাতের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২৬৯টি লিংকেজ বা সহযোগী শিল্প জড়িত। এ খাত থমকে গেলে গোটা শিল্পেও ধস নামবে।
তারা আরো জানান, আবাসন খাত থেকে সরকার প্রতিবছর প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব পেয়ে থাকে। বর্তমানে এ খাতে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এই খাতে স্থবিরতা আসলে কর্মসংস্থান হারিয়ে চরম বিপাকে পড়বেন তারা। তাই অবিলম্বে অতিরিক্ত কর ও ভ্যাটের হার কমিয়ে পর্যায়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, রেডার সভাপতি তৌফিকুর রহমান লাভলু, সিনিয়র সহ-সভাপতি
এ্যাড. এরশাদ আলী ঈসা, মোঃ কবির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মেজবাউল বারী সওদাগর, অর্থ সম্পাদক এম.এম. সিহাব পারভেজ, দপ্তর সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।