মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে পৌরসভার ৫নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিম পাড়া সংলগ্ন খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে বাসা থেকে পাশের হাওলাদার মার্কেটের দোকানের কাছে যায় ইসমাইল। এর পর থেকে তার আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলনা।
পরিবারের সদস্যরা গত দুই দিন ধরে আশেপাশের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধ্যান পাননি। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সকালে খালের ভেতরের একটি ভাসমান বস্তা থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার পর স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে বস্তাটি উদ্ধার করলে ভেতরে বস্তাবন্দি অবস্থায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহটি দেখতে পান তারা।
শিশু ইসমাইলের চাচা মো. সৈকত ইসলাম বাবু বলেন, ইসমাইলের বাবার সাথে একই এলাকার রোকন নামের এক যুবকের সাথে একটি মোবাইল কেনাবেচা নিয়ে ঝামেলা ছিলো। এর সূত্রে ধরে ইসমাইল নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন আগে রোকন ইসমাইলের বাবাকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘তোকে আমি এমন করবো সারাজীবন কাঁদবি’। এর এক দিন পরই ইসমাইল নিখোঁজ হয়। তিনি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
বোরহানউদ্দিন থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন কুমার সাহা বলেন, উদ্ধারকৃত শিশুর মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় রোকন নামে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং স্বজনরা মামলা দায়ের করলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।