কিশোরগঞ্জ সদর এলাকার মাহবুব মিয়ার স্ত্রী মরিয়ম। তবে তার বাবার বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায়।
রেলওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্টেশনে এক যাত্রীর মোবাইল চুরি নিয়ে রাতে দুই নাম্বার প্লাটফর্মে যাত্রীরাসহ পুলিশের জটলা হয়। এসময় মরিয়ম বেগম রেলস্টেশনে কিশোরগঞ্জ যাওয়ার জন্য এগারসিন্ধু ট্রেন আসার অপেক্ষা করছিল। ট্রেন আসতে বিলম্ব হওয়ায় তিনি মানুষের জটলা দেখছিলেন। পরে হঠাৎ করে ঢাকা-ব্রাক্ষণবাড়ীয়াগামী তিতাস কমিউটার ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করার সময় ২ নং প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা মরিয়ম বেগম চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় রেললাইনে ফাঁকে পড়ে যায়।
এসময় ট্রেনের চাকার নিচে পড়ে তার এক পা বিচ্ছিন্ন হয়, আরেক পায়ে গুরুতর আঘাত পান। পরে তাকে লোকজন উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ঘটনায় তার পরিবারের সদস্যকে খবর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে লাশ হাসপাতালে রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডাঃ মমিনুর রহমান জানান, মরিয়ম বেগমকে হাসপাতালে আনার পর আমরা দেখতে পাই তার এক পা বিচ্ছিন্ন ও আরেক পায়ে গুরুতর আঘাত। এসময় আমরা দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার সময় রাত ১০.৪০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।
ভৈরব রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রফিকুল হাসান জানান, আমরা খবর পেয়েছি তিনি ট্রেনের চাকার নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। খবর শুনে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে দেখেন তিনি মারা গেছেন। পরে তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।