আজ সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা আন্তঃজেলা বাস-মিনিবাস মালিক গ্রুপের জরুরি সভায় ধর্মঘট অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি দাবি পূরণ না হলে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে চুয়াডাঙ্গা থেকে দূরপাল্লার সব বাস চলাচলও অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। রোববার দামুড়হুদার ফকিরপাড়া এলাকায় ইজিবাইক ও পাখিভ্যান চালকদের সঙ্গে বাস শ্রমিকদের বিরোধের জেরে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শ্রমিকদের অভিযোগ, এ সময় তাঁদের ওপর হামলা ও মহাসড়কে বাস আটকে রাখা হয়।
বাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, পরিবহন শ্রমিকদের ওপর হামলা, বাস আটকে রাখা এবং মহাসড়কে অবৈধ ইজিবাইক চলাচল বন্ধসহ বিভিন্ন দাবি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। দাবি পূরণ না হলে দূরপাল্লার বাসও বন্ধ থাকবে। ধর্মঘটের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট চুয়াডাঙ্গা শহরের দৌলতদিয়াড় এলাকায় একটি ইজিবাইক চালক নিয়মবহির্ভূতভাবে শহরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ ও বাস শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা তাকে বাধা দিয়ে তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জেরে ওই ইজিবাইক চালক তার সহযোগীদের নিয়ে আলোকদিয়া এলাকার সংগঠিত হয়ে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে চলাচলকারী একটি বাস আটকে দেয়। তারা বাসের চালক ও সুপারভাইজারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি বাসে হামলা চালায় এবং তাদের জিম্মি করে রাখে।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে জিম্মি থাকা বাস চালক ও সুপারভাইজারকে উদ্ধার করে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে জেলার অভ্যন্তরীণ ৫ টি রুটে বাস-মিনিবাস চলাচল বন্ধ করে দেয় শ্রমিকরা। পরে জেলা প্রশাসনের মধ্যস্ততায় ধর্মঘট প্রত্যাহার করে বাস মালিক গ্রুপ।