স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কর্মসূচির (HPNSP) আওতায় পরিচালিত বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গত সময়ে স্থবির হয়ে পড়ে। এর ফলে হাম, রুবেলা, যক্ষ্মা, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, হেপাটাইটিস, টাইফয়েডসহ একাধিক রোগের বিরুদ্ধে চলমান প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে যায়।
বিশেষ করে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে (EPI) টিকা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় শিশুদের নির্ধারিত সময়ে পূর্ণ টিকা গ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, পূর্বপরিকল্পনা ও বিকল্প কৌশল ছাড়া কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাদের মতে, দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
অন্যদিকে, প্রতিরোধমূলক বিভিন্ন ক্যাম্পেইন—যেমন ভিটামিন এ প্লাস, কৃমি নিয়ন্ত্রণ, ম্যালেরিয়া ও যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হয়েছে, যা শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্য খাতে টেকসই পরিকল্পনা ও জরুরি ভিত্তিতে পুনরায় কার্যক্রম চালু না করলে সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের বিস্তার আরও বাড়তে পারে।