১৫/০৫/২০২৪ তারিখে শাহ ইমরান সাজুকে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-২ হিসেবে প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব অর্পণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল; এ সংক্রান্ত অনুলিপি স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক (উপ-সচিব) এবং মৌলভীবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছিল। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের দাবি, সাজুকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব অর্পণের বিষয়ে কোনো সভায় তারা অংশ নেননি বা কোনো নথিতে স্বাক্ষর করেননি।
১৭/১১/২০২৪ তারিখে ইউনিয়ন পরিষদের ৮ জন সদস্য সাজুর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজ উদ্দিনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিলেও, তিনি সেই অনাস্থা প্রস্তাব আমলে নেননি এবং সাজুকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে বহাল রাখেন। এর কিছুদিন পরই তাজ উদ্দিনকে মৌলভীবাজার থেকে বদলি করা হয়।
এদিকে, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আনকার মিয়া ইউনিয়ন পরিষদের '১ শতাংশ' তহবিলের কাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন হওয়া কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন সচিব উত্তম কুমার পালিত সাজুর সাথে কথা বলেন, কিন্তু সচিব এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না বলে জানান।
এক লাখ টাকার কাজ কীভাবে ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকায় করা হলো—তা জানতে সাজুর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব হোসেন বলেন, “স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হওয়ার বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আমরা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেব।”
২ নং মনুরমুখ ইউনিয়নের বাসিন্দারা আশা করছেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।