রবিবার (৩ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের প্রথম দিন দ্বিতীয় অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সেশন শেষে এসব কথা জানান তিনি।
আইনমন্ত্রী বলেন, “আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে আমাদের যত দফতর রয়েছে সেখানে সুনির্দিষ্ট কোনও দুর্নীতি, অনিয়ম বা অভিযোগ থাকলে সেগুলো সরাসরি আমাদের জানাতে বলেছি। এসব অভিযোগ আমরা সুনির্দিষ্টভাবে অ্যাড্রেস করবো। মাঠ পর্যায়ে তাদেরকে ভিজিল্যান্স (সতর্ক) থাকতে বলেছি। এসব অভিযোগে আমরা অ্যাকশন নিচ্ছি কিনা— সেটাও দেখার বিষয়।”
আইনমন্ত্রী বলেন, “সরকারের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে অনেক ফাইল আসতে দেরি হয়। এটা যাতে না হয় সে বিষয়ে দৃষ্টি রাখতে বলেছি। এছাড়া জেলা প্রশাসকরা যদি কিছু সাজেস্ট করেন সে বিষয়গুলো জানাতে বলেছি। যাতে এসব বিষয় ভবিষ্যতে আমরা সমাধান করতে পারি।”
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “এটার জন্য আলাদা হেল্পলাইন প্রয়োজন নাই। সরকারের একটা বিভাগ থেকে আরেকটি বিভাগের সমন্বয়ে রয়েছে। সুতরাং এখানে হেল্পলাইনের প্রয়োজন হবে না।”
জেলা প্রশাসকদের কোনও প্রস্তাব রয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “আমার সেশনে জেলা প্রশাসকদের কোনও প্রস্তাব ছিল না। এছাড়া মামলা জট কমানোর জন্য ডিসিদের কোনও পরামর্শ থাকলে জানাতে বলেছি। পার্মানেন্ট প্রসিকিউশন সার্ভিস আমাদের বিবেচনাধীন রয়েছে। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি।”