রোববার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনে মোট ৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে ৩০টি কার্য অধিবেশন। এতে অংশ নিচ্ছে ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ।
সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহার ও জুলাই সনদ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি জনপ্রশাসনে পদায়ন ও বদলির ক্ষেত্রে সততা, মেধা ও দক্ষতাকে প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করার কথা জানান তিনি। দেশের যেকোনো স্থানে দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত থাকার জন্য ডিসিদের নির্দেশ দেন।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সন্ধ্যার মধ্যে মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম জোরদার করা এবং জনগণের অভিযোগ দ্রুত ও গুরুত্বসহকারে নিষ্পত্তির নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, বাল্যবিবাহ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং খাদ্যে ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।
এছাড়া শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রম বাড়াতে সারা বছরজুড়ে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বন্যা ও খরা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসকদের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজ থেকে পুরোপুরি বৈষম্য দূর করা কঠিন হলেও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি নৈতিক রাষ্ট্র গঠনই সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ডিসিদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।