স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-২ শাখা থেকে পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঢাকার যানজট নিরসনে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইনোভেশন টিম এই নতুন মডেলের প্রস্তাব দিয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ঢাকা শহরের উত্তর-দক্ষিণে অবস্থিত প্রধান ৫টি সড়ক এবং পূর্ব-পশ্চিমে ৩টি সড়ক মিলিয়ে প্রায় ১০৫ কিলোমিটার রাস্তা ‘জিরো সিগন্যাল’ ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
এই পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট ১০৫ কিলোমিটার সড়কের গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনগুলোতে ট্রাফিক সিগন্যাল পুরোপুরি বাদ দেওয়া হবে। এর পরিবর্তে ৩৭টি স্থানে ওভারপাস, আন্ডারপাস, ইন্টারচেঞ্জ ও ইউলুপ নির্মাণ করে যান চলাচলকে নিরবচ্ছিন্ন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনায় আরও বলা হয়েছে, ধীরগতির যানবাহনের জন্য আলাদা লেন, পথচারীদের জন্য ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাস নির্মাণের বিষয়েও সুপারিশ রয়েছে, যাতে যান চলাচল বাধাহীন থাকে।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একটি টেকনিক্যাল উপকমিটি গঠন করা হয়, যারা পরবর্তীতে ১৯ এপ্রিল বৈঠক করে স্বল্পমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি সুপারিশ তৈরি করে।
পরবর্তীতে এসব সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয় এবং বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশকে নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই করতে হবে।
এর অংশ হিসেবে একজন ফোকাল পারসনও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যিনি পুরো সমীক্ষা কার্যক্রম সমন্বয় করবেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পুলিশ যৌথভাবে এই ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।
সূত্র: বাসস