বাকি পাঁচজনের মধ্যে একজনকে ১৫১ ধারায় এবং একজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা ও জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে সোমবার দিনব্যাপী জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার বিভিন্ন থানায় এসব অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানা, কোম্পানীগঞ্জ, বেগমগঞ্জ মডেল থানা, সেনবাগ, চাটখিল ও চরজব্বর থানায় আটক কিশোরদের মধ্যে যথাক্রমে ৭, ৭, ১৩, ১১, ১১ ও ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সোনাইমুড়ী থানায় একজনকে ১৫১ ধারায় এবং একজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া দুজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অন্যদিকে, কবিরহাট থানায় আটক তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধপ্রবণতা রোধে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।