২০০ বল মোকাবেলা করা মুমিনুলের ইনিংসটি ছিল ধৈর্য আর ক্লাসিক ব্যাটিংয়ের প্রতিচ্ছবি। ১০টি চারের মারে সাজানো তার ইনিংস দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নিলেও মাত্র ৯ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া হওয়ায় হতাশায় ভুগছেন তিনি।
এর আগে মুমিনুল ও মুশফিকুর রহিম মিলে গড়ে তুলেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। পাকিস্তানের পেস আক্রমণের বিপরীতে শান্তভাবে ইনিংস মেরামত করেন তারা। প্রথম দিনেই বাংলাদেশ আড়াইশ ছাড়িয়ে যায় এবং এক পর্যায়ে ৪ উইকেটে ২৭৭ রানে পৌঁছে যায় দল।
শুরুতে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় এবং সাদমান ইসলাম দ্রুত ফিরে গেলে ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি মুমিনুলের সঙ্গে গড়ে তোলেন ১৭০ রানের দারুণ জুটি।
শান্ত খেলেন আক্রমণাত্মক ইনিংস, ১২৯ বলে করেন ১০১ রান, যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক হিসেবে পঞ্চম। তবে সেঞ্চুরির পরই তিনি দ্রুত আউট হয়ে ফিরে যান।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের হয়ে নোমান আলী গুরুত্বপূর্ণ সময়েই আঘাত হেনে বাংলাদেশের বড় জুটি ভেঙে দেন। তার শিকার হয়ে থেমে যান মুমিনুলও।
দিনের শেষ দিকে লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম ক্রিজে থেকে দলের ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন। বাংলাদেশের লক্ষ্য এখন বড় স্কোর গড়ে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।