পরিদর্শনকালে এমপি হারুন অর রশিদ নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও মর্মান্তিক। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের পর যারা বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতি করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় লুট হওয়া তিনটি মহিষসহ আরও ১৭টি গবাদিপশু উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত রোববার সকালে পাংশা উপজেলার কশবামাজাইল ইউনিয়নের দড়িবাংলাট ও পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে জামিন বিশ্বাস গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ঢাকায় নেওয়া হলে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কয়েকটি ঘরবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছেন।