শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে দুলাভাই বাহিনীর প্রধান রবিউল ইসলামকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় কোস্টগার্ড। চিকিৎসা শেষে তাকে আবার সঙ্গে নিয়ে গেছে কোস্টগার্ডের সদস্যরা।
বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, এ অভিযানে দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়। এর মধ্যে দুলাভাই বাহিনীর প্রধান রবিউল ইসলামকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর শওকত সরদার (৬০) নামের একজন মারা গেছে। তার মরদেহ কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে।
তার পরিবারের দাবি, তিনি বনদস্যু নয়। সুন্দরবনের বনদস্যুরা তাকে তুলে নিয়ে মুক্তিপণের দাবিতে আটকে রাখে। হাসপাতালে কোন মিডিয়া কর্মীদের ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আহত কিংবা নিহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।
তেঁতুলতলার চর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, গেল রাতে সুন্দরবনের গভীর থেকে একের পর এক গুলির শব্দের পাশাপাশি আগুনের শিখাও দেখা যায়। শতাধিক গুলির শব্দে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। আতঙ্কে নারী-শিশুসহ অনেকেই বাড়ির বাইরে অবস্থান নেন। সকালে কোস্টগার্ডের সদস্যদের খোড়লকাঠী বাজার এলাকায় দেখা গেলে অভিযানের বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই প্রথমে ধারণা করেন, দুটি বনদস্যু বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। পরে সকালে এলাকায় কোস্টগার্ডের সদস্যদের দেখে তারা স্বস্তি পান।
সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, গোলাগুলির ঘটনাটি আমাদের কয়রা টহল ফাঁড়ির আওতাধীন সুন্দরবনের ময়দাফেসা খাল এলাকায় ঘটেছে বলে বনরক্ষীদের কাছ থেকে জেনেছি। বর্তমানে ওই এলাকায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা রয়েছেন।