শনিবার (৪ এপ্রিল) তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এই প্রশ্ন তুলে ধরেছেন। পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ লিখেছেন, তারেক রহমান ২৯ নভেম্বরের এক বক্তব্যে বলেন,
“এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ–স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্যদের মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।”
এরপর হাসনাত আবদুল্লাহ উল্লেখ করেছেন, “তাঁর দেশে ফেরা আর কার কার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।” তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ২৫ ডিসেম্বর তার দেশে ফেরার পেছনে—যেখানে দলের অনেকের দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও—গুম ও মানবাধিকার অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রভাব ছিল কি না।
তিনি আরও বলেছেন, “দেশে ফেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যেমন অন্য অনেকের প্রভাবের ওপর নির্ভর করেছে, ঠিক তেমনি দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রেও কি তিনি অন্যদের দ্বারা প্রভাবিত?”
হাসনাত আবদুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে লিখেছেন,
“জনাব তারেক রহমান কি নিজের সিদ্ধান্তে দেশ পরিচালনা করতে পারছেন, নাকি নেপথ্যে অন্য কেউ রয়েছেন—যাদের আমরা চিনি না? তাঁর নিজের সিদ্ধান্ত ছাড়াও যাঁদের সিদ্ধান্তের ওপর তাঁর দেশে ফেরা ও অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত নির্ভর করতে পারে, তাঁরা কারা?”
এ বিষয়ে এখনও তারেক রহমান বা সংশ্লিষ্ট কোন পক্ষের প্রতিবাদ বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।