শিশির মনির উল্লেখ করেন, সেই সময় রাষ্ট্রপতির নীতি ও কর্মকাণ্ড সহজভাবে গ্রহণযোগ্য ছিল, কিন্তু বর্তমান সময়ের কিছু অধ্যাদেশ ও নীতি পরিবর্তন ‘ট্রমাটিক’ এবং বিভ্রান্তিকর। তিনি সমালোচনা করেন যে, বর্তমানে সরকারের কিছু পদক্ষেপ—যেমন দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিকার অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ—রদ করা হচ্ছে, যা ক্ষমতার ভারসাম্য বিঘ্নিত করছে এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
শিশির মনির বলেন, “তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কনফিউশন তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অভ্যুত্থানের ইতিহাস ও তার নেতৃত্বের চরিত্রকে অবমূল্যায়ন করলে গণঅভ্যুত্থান এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থিত হতে পারে।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা অতীতের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন তাদের ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন বা অবমূল্যায়ন লাভজনক নয় এবং এ থেকে সবার সম্মান ক্ষতিগ্রস্ত হবে।