এই কারণে বিশেষ কমিটি সুপারিশ করেছে যে এই ১৬টি অধ্যাদেশ এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরে যাচাই-বাছাই করে আরও শক্তিশালী করে নতুন বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হোক।
বিশেষ কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের জারীকৃত ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অবিকল পাস করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে এবং ৪টি অধ্যাদেশ এখনই বিল আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। বাতিলের তালিকায় যেসব অধ্যাদেশ গেছে, সেগুলোর মধ্যে ১২টিতে জামায়াতের তিনজন সদস্য নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন।
৪টি অধ্যাদেশ যেগুলো অবিলম্বে বিল আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো হলো জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তী বিশেষ বিধান), সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়, এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ।
এছাড়াও ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে বিল আকারে উত্থাপনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে, যার মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট, ব্যাংক রেজল্যুশন, সন্ত্রাসবিরোধী, পুলিশ কমিশন, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ, ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংশোধিত অধ্যাদেশসহ আরও কিছু রয়েছে।
জামায়াতের সদস্যরা জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা সংশোধনসহ চারটি স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশের বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুসারে, এসব অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা হবে।