এর মাধ্যমে গত বছর ‘দ্য ভয়েস অব হিন্দ রাজাব’ পাওয়া ২৩ মিনিটের স্ট্যান্ডিং ওভেশনের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে ‘নাজা’। রেড কার্পেটে নির্মাতারা অডিটোরিয়ামে যাওয়ার সময় দর্শকদের কেউ ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’, আবার কেউ ‘ফ্রি ইসরায়েল’ স্লোগান দেন।
ইতোমধ্যে ভেনিসের সর্বোচ্চ পুরস্কার গোল্ডেন লায়নের অন্যতম দাবিদার হিসেবেও আলোচনায় এসেছে তথ্যচিত্রটি।
‘নাজা’তে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ২৪ জন সাবেক ও বর্তমান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও সেনাসদস্যও রয়েছেন। গাজা যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিনি বেসামরিকদের বিরুদ্ধে অভিযানের অভিজ্ঞতা তারা তুলে ধরেছেন।
অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় গোপন রাখতে তাদের চেহারা ও কণ্ঠে ডিজিটাল পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রায় তিন বছর ধরে গোপনে তথ্যচিত্রটির শুটিং করা হয়।
ভেনিসে সংবাদ সম্মেলনে ইউভাল আব্রাহাম বলেন, নির্মাতারা মূলত সেনা ও কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চেয়েছেন—তারা কী করেছিলেন এবং পুরো প্রক্রিয়াটি কীভাবে পরিচালিত হয়েছিল।
‘নাজা’ নামটি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীতে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত একটি সংক্ষিপ্ত রূপ থেকে নেওয়া হয়েছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রকাশিত বিভিন্ন ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনকে ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে তথ্যচিত্রটি।